কড়ানজর
  • July 26, 2021
  • Last Update July 25, 2021 9:04 pm
  • গাজীপুর

বর্ষা আসে সরবে কানাড়া-দুন্দুভি বাজিয়ে

মাসুদুল হকঃ

‘বর্ষা’। আশ্চর্য রসে ভরা মাদকতা। উদ্বেলিত তনু-মন। রিমঝিম রিমঝিম। ছান্দিক জলপতন। ভিন্নমাত্রার ভালোলাগা, দুঃখবোধ, আনন্দ, বিনোদন, বিরহ, মনের প্রসারণ-সংকোচন, বিস্তৃতি সবই নিহীত বর্ষাতে। জলধারা নর-নারীর শরীর-মন সিক্ত করে, অন্তরাত্মা জুড়িয়ে দেয়, কখনোবা ঠেলে দেয় ভাবনার গহীন অতলে।

অবাধ্য মন গুনগুনিয়ে গেয়ে ওঠে ‘হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে, ময়ূরের মতো নাচে রে’।
বর্ষা মিলনের ঋতু, মিলনের আকাক্ষা যতটা পুলকের, বিচ্ছেদের বেদনা ততটাই কষ্টের; তাই তো বর্ষা যতটা মিলনের, ততোধিক বিরহের ঋতুও। বর্ষায় মানবমনে মিলনের তৃষ্ণা জাগে, মিলনের তৃষ্ণা জাগে বলেই জীবনের সমস্ত অপ্রাপ্তিগুলো বিচ্ছেদ-ব্যথা হয়ে পল্লবিত হয় বুকে – এই বর্ষাতেই। বর্ষা প্রার্থনার ঋতু, হৃদয়াকুতি উচ্চারিত হয় বর্ষায়।
‘বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির বারি
শুষ্ক হৃদয় লয়ে আছে দাঁড়াইয়ে ঊর্ধ্বমুখে নর-নারী’
বাংলার ঋতুচক্রের আবর্তনে অন্য পাঁচটি ঋতুই নিঃশব্দ, কিন্তু বর্ষা আসে সরবে কাড়ানা-দুন্দুভি বাজিয়ে, বর্ষাকে তাই অনুভব দিয়ে খুঁজে নেবার প্রয়োজন হয় না; বর্ষা নিজেই নিজের উপস্থিতি জানান দেয়। প্রকৃতির মেজাজে-আচরণে আর বহিরাবরণে আমরা টের পেয়ে যাই তার সদম্ভ উপস্থিতি। হয়তো সে কারণেই বর্ষার বিস্তৃতি আমাদের মননে-মনীষায় অতটা প্রবল।
ঘুম থেকে জেগে দেখি মশুল ধারায় বৃষ্টি ঝরে
আলস্যের দ্যুতি হয়ে শুধু প্রিয় মুখ মনে পড়ে।
একদিন বৃষ্টি হবে ভেবে পথে বেরুবে না কেউ কেউ
সেদিন শহরে কারফিউ থাকবে না নদীতে উঠবে না ঢেউ
পুরোনো বর্ষাতি হারাবার অজুহাতে ঘরে বসে খুঁড়বো স্মৃতির বুক
খিচুরি-ইলিশের সাথে ভদকার গ্লাসে কেউ দেবো মাতাল চুমুক।
বৃষ্টি হবে ভেবে যারা বেরুবে না পথে নিরাপত্তা-চেয়ে
তারা কেউ জানবে না বৃষ্টি এসেছিলো অরূপ প্রেয়সী হয়ে?

প্রকৃতি পর্বে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঋতুভিত্তিক যত গান লিখেছেন তার মধ্যে বর্ষাই প্রধান, বর্ষা নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ১১৩টি গান লিখেছেন, এরপর বসন্ত, বসন্ত নিয়ে লিখেছেন ৯৫ টি গান; তৃতীয় স্থানে আছে শরৎ, শরতের গান ৩১টি। চতুর্থ, পঞ্চম এবং ষষ্ঠ স্থানে আছে গ্রীষ্ম-শীত এবং হেমন্ত ; তাদের নিয়ে আছে ২৫, ১৪ এবং ৩টি গান। এখানেও দেখতে পাই রবীন্দ্রগানে বর্ষার প্রভাবই সর্বাধিক। রবীন্দ্রনাথ বর্ষার সৌন্দর্যের পাশাপাশি এর গভীরের কান্নাটি ¯পর্শ করেছিলেন বলেই তাঁর গানে বর্ষা এতটা বিস্তৃতি পেয়েছে। বর্ষার বিরহব্যথায় কাতর কবি নজরুলও। তাঁর গানে যদি তাকাই-
রিমি ঝিম রিমি ঝিম ঐ নামিল দেয়া।
শুনি শিহরে কদম বিদরে কেয়া \
ঝিলে শাপলা কমল ওই মেলিল দল
মেঘ-অন্ধ গগন, বন্ধ খেয়া \
বারি-ধারে কাঁদে চারিধার, ঘরে ঘরে রুদ্ধ দুয়ার।
তেপান্তরে নাচে একা আলেয়া \
কাঁদে চখাচখি, কাঁদে বনে কেকা,
দীপ নিভায়ে কাঁদি আমি একা,
আজ মনে পড়ে সেই মন দেয়া-নেয়া \

নজরুলের বর্ষার গানেও বেদনাই প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে আছে, আমরা যদি তাঁর-
অঝোর ধারায় বর্ষা ঝরে সঘন তিমির রাতে
‘নিদ্রা নাহি তোমায় চাহি’ আমার নয়ন-পাতে\
এভাবেই কবির আকাক্ষা আকুতি হয়ে বৃষ্টিকে স্পর্শ করে; বর্ষাকে বিচ্ছেদের পুষ্পে সাজিয়ে উদযাপন করেন বিরহপর্ব, কারণ কবি জানেন, আমাদের সেই গান চিরকালের যে গান আমাদের অন্তরের বেদনাকুতি প্রকাশ করে।

রূপসী বাংলার কবি-বিচ্ছেদ-বেদনার কবি-গ্রামবাংলার প্রকৃতির কবি জীবনানন্দ দাশ’র
‘আলো পৃথিবী’ কাব্যের ‘সমুদ্রচিল’ কবিতায় বৃষ্টির দেখা পাই, কিন্তু জীবনানন্দ দাশের যে কবিতার হঠাৎ-বৃষ্টি আমাদের ভিজিয়ে দিতে চায়-
‘যেমন বৃষ্টির পরে ছেঁড়া-ছেঁড়া কালো মেঘ এসে
আবার আকাশ ঢাকে,মাঠে মাঠে অধীর বাতাস
ফোঁপায় শিশুর মতো,একবার চাঁদ উঠে ভেসে,
দূরে-কাছে দেখা যায় পৃথিবীর ধানখেত ঘাস,
আবার সন্ধ্যার রঙে ভ’রে উঠে সকল আকাশ,
মরার চোখের রঙে সকল পৃথিবী থাকে ভ’রে!-
যে মরে যেতেছে তার হৃদয়ের সব শেষ শ্বাস
সকল আকাশ আর পৃথিবীর থেকে পড়ে ঝ’রে!
জীবনে চলেছি আমি সে পৃথিবী আকাশের পথ ধ’রে ধ’রে।
(ধূসর পাÐুলিপি \ জীবনানন্দ দাশ)
বাংলার কবিকুলের কবিতায় এতো যে বর্ষাবন্দনা-বর্ষাবিলাপ-বর্ষাপ্রীতির আবহ দেখি; তার পিছনেও আছে বরিষধারার অবিরাম অভিরামরূপ, বর্ষার ঔদার্য-দান-কষ্টপীড়ন, বর্ষার উজ্জীবনক্ষমতা। কবিকূলের নানা সাধের পঙক্তি বর্ষার সেই বিচিত্রতা জানান দেয় –
‘বৃষ্টি, দুষ্টু মেয়ে এসেছে হঠাৎ
এ শহর তার কাছে কী-যে কুপোকাৎ।
রোদে মেঘে খুনসুটি লুকোচুরি খেলছে গগন
রিকশায় হুড টেনে ঘন হয়ে বসে দুই মন
আঁচলে ঢেকেছে বুক, উড়োখুড়ো ভুরু উচাটন।

(বৃষ্টি, দুষ্ট মেয়ে \ সুর সমুদ্র \ মুহম্মদ নূরুল হুদা)

‘আমরা তামাটে জাতি’ কবিতায় কবি লিখেছেন-
রোদ্দুরে নেয়েছি আর বৃষ্টিতে বেড়েছি
সহস্র শতাব্দী দিয়ে নিজেকে গড়েছি
আমরা তামাটে জাতি, আমরা এসেছি।
ষাটের কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী তাঁর প্রথম কাব্য ‘দাও বৃক্ষ দাও দিন’-এ যখন লিখেন ‘মালিবাগ, বিকেলে বৃষ্টি’ অথবা ‘মালিবাগ, বিকেলে ঝড়’; সেখানে কবিতাদ্বয়ে দেখি বৃষ্টির জন্য প্রেমিক হৃদয়ে বঞ্চনার চিত্র; আবার যখন তাঁর তৃতীয় কাব্য ‘মধ্যরাতে দুলে ওঠে গøাস’-এ যখন লিখেন ‘হালুয়াঘাটে বৃষ্টি’, তখন কবিতাটিতে পাই ভিন্ন দ্যোতনা। “সব বৃষ্টি একা-একা, গাঢ় কোনো বিষাদ-পতন/ অজস্র ধারায় ধুয়ে-মুছে নেয়/ অন্তহীন গ্লানি/ ক্ষুদ্র পরিতাপ/ অকারণ অহংকার/ আর-/ সামান্য সাফল্য;/ মানুষ ও বৃষ্টির মতো সে কেবল একা/ একলা বৃষ্টি
সন্ধ্যা রাতে বৃষ্টি ছিলো লতাকুঞ্জে, মল্লিকা-মন্থনে,
তুমি এলে পায়ে-পায়ে জড়িয়ে খুশি মগ্ন বর্ষণে
তুমি এলে পাতায়-পাতায়
ছলকে পড়া জলের ফোঁটায়
ছড়িয়ে দিলে তোমার নামের নগ্ন অহংকার
জানি সে সব কেবল তোমার, তোমার।
(তোমার তুমি বর্ষণে সন্ধ্যায় \ মধ্যরাতে দুলে ওঠে গøাস \ হাবীবুল্লাহ সিরাজী)
বর্ষাবিষয়ক যত সংকীর্তন, প্রকৃতিতে তার বাস্তবতা কেমন? বাংলার গ্রামীণ জীবনে বর্ষা আর নগর জীবনে বর্ষাচিত্র কিন্তু অভিন্ন নয়; যদিও শুনতে পাই, বিশেষজ্ঞদের বিবেচনায় নগরায়নের প্রভাবে আমাদের গ্রামগুলো আর গ্রাম থাকবে না; কিন্তু তবুও গ্রাম গ্রামই থাকবে, হয়তো গ্রামে কিছু কিছু নাগরিক অনুষঙ্গ যুক্ত হবে ; এবং হচ্ছেও তাই। গ্রামীণ জীবনে বর্ষার সৌন্দর্যবৈভব জলমগ্নতায় পায় প্রাণের উৎসব ; ছোট শীর্ণা নদীটি জলসম্ভারে পূর্ণ হয়ে ওঠে, কেয়া-কেতকি-কামিনী-যুথি-মল্লিকা-রজনীগন্ধ্যা-টগর-দোলনচাঁপা, মালতি ফোটে নগরে ও গ্রামে; বর্ষায় গ্রামের গোপাটের পাশে ফোটে শটিফুল-বনমালতি; সব মিলে সবুজের সমারহে শাদা আর রঙবাহারি ফুলের বিভায় ঐশ্বর্যমÐিত হয়ে ওঠে গ্রামের মেঠোপথ; কিন্তু নগর ? নগরে বর্ষার সৌন্দর্য কোথায় ? বর্ষায় নগরজীবন যেনো বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, বাগানে বাগানে ফুল ফোটে বটে; কিন্তু মানুষের কাÐজ্ঞানহীনতায় নগর যেনো হয়ে পড়ে জলাবদ্ধ কষ্টনগরী। মানুষ তার স্বার্থান্ধতা, প্রাচুর্যমোহ, লোভ, বিলাস আর চিত্তানন্দ চিন্তায় প্রকৃতির বিপক্ষে নিয়ত কাজ করে চলেছে; নগরের পুকুর-খাল-নদী ভরাট করে নিত্য ডেকে আনছে দুর্যোগ-দুর্ভোগ; পয়ঃনিষ্কাশন প্রণালীকে অপচনীয় বর্জ্যে ভরে তুলছে; যার ফল ভোগ করছে নিজেরাই বর্ষায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বাঁশি’ কবিতাটি পড়লে আমরা নগরজীবনের কিছু খন্ডচিত্র খুঁজে পাবো।

ধলেশ্বরী নদীতীরে পিসিদের গ্রাম,/ তার দেওরের মেয়ে অভাগার সাথে তার বিবাহের ছিলো ঠিকঠাক,/ লগ্ন শুভ নিশ্চিন্ত প্রমান পাওয়া গেল/ সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে;/ মেয়েটা তো রক্ষে পেলে আমি তথৈবচ;/ ঘরেতে এলো না সে তো মনে তার নিত্য আসা-যাওয়া, পরনে ঢাকাই শাড়ি কপালে সিঁদুর।

রবীন্দ্রনাথের এ খÐচিত্রগুলো বহু বছর আগে আঁকা, কিন্তু আজকের চিত্র ভিন্ন; আজ টানা বর্ষণে নগরের সড়কগুলো যখন বর্ষায় জলমগ্ন হয়ে পড়ছে, তখন পথে নিত্য দুর্ঘটনায় কবলিত হচ্ছে মানুষ, তারপরও মানুষ কেনো বর্ষার জন্য প্রার্থনা করবে? আজকের দিনে বর্ষার নগরচিত্র পড়তে আমরা আরও একটি কবিতা পড়ে নিতে পারি-

জল ঢেকেছে জলের শরীর পুকুর ডোবা সব/ ডুবলো শহর দোকান-বাড়ি/ রিক্সা-মোটর-ঠেলাগাড়ি/ শুনছে সবাই নগর জুড়ে জলের মাতন জলের কলরব।

কোথায় নদী নর্দমা কই কোথায় বসতিবাড়ি/ কোন পথে আজ নৌকা চলে কোথায় মোটর গাড়ি/ ম্যানহোল আজ কোথায় লুকায় কোথায় খানাখন্দ/ কলসি নিয়ে ডুববে কোথায় তাই নিয়ে আজ দ্ব›দ্ব।

জলবন্দী পথিক বোকা বৃষ্টিজলে ভিজছে একা,/ কাক ভিজছে বৃক্ষগুলো জলতাড়িত কুকুরগুলো/ সর্দিজ্বরের কথা ভুলে সাঁতরিয়ে যায় সড়ক-খালে/ মানস চোখে দেখে পথিক দূরে আলোকরেখা।

হাঁটলো পথিক আলোর দিকে জীবন যখন ফিকে,/ আলোর দিকে সবুজ গ্রামে হল্লা করে আষাঢ় নামে/ নৌকা ভিড়ে জলের জ্যামে ঘাটের থেকে খানিক বামে/ কৈশোরে সে গেছে ছুটে নাটাই হাতে সবুজ মাঠের দিকে।

বর্ষা বড় খেয়ালি। কথার খেলাপ করে। তবুও বর্ষার ওপর বেশি ক্ষণ রাগ করা যায় না। রোদের ঝাঁঝে নাজেহাল যখন, ঠান্ডা বাতাস নিয়ে বর্ষা কাছে এসে দাঁড়ালেই সকলে ভুলে যায় তার খেয়ালিপনার অপরাধ। যে বর্ষা ভয়ঙ্কর হয়ে তালগোল পাকিয়ে দেয় জীবনের সহজ ছন্দ, তাকে ভাল লাগে না। তার কারণ, দারুণ ঝড়ে গাছপালা ভাঙে, পাখির বাসা ভাঙে। ভাল লাগে বর্ষার সদ্য স্নান করে ওঠা স্নিগ্ধ পবিত্র রূপ। পিঠে খোলা চুল থেকে টপটপ জল ঝরছে। দু’খানি ভিজে আলতা-ধোয়া পা। সেই বর্ষাকে প্রণাম করতে ইচ্ছে করে। জানলা খুলতেই গুড়িগুড়ি জলের ছাট মুখের ওপর। হাত বাড়িয়ে জল ধরি। যেন জল কোনও দিন ছুঁইনি। জলের ধারায় উল্টো দিকের বাড়িগুলো ঝাপসা লাগে। জানলার সার্সি বেয়ে, দেওয়াল বেয়ে, আলসে বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে বৃষ্টির জল। একটা ভো-কাট্টা ঘুড়ি তখনও টেলিফোনের তারে ঝুলছে। রাস্তার লাইটপোস্টের আলো বৃষ্টিধারায় ঝাপসা। গাড়ির হেডলাইটে মাঝে মাঝে ঝলসে উঠছে বৃষ্টির ভিজে শরীর। বৃষ্টিকে আমার পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুন্দরী বলে মনে হয়। রাতের বৃষ্টি বেশি ভাল লাগে। কখনও বর্ষার দিকে তাকিয়ে তাকে খুব দুঃখী বলে মনে হয়। আর মানুষকে নিষ্ঠুর লাগে। বর্ষার বুকের তলায় একটা ব্যথা সবসময় উঁচিয়ে থাকে কাঁদাবার জন্য। বর্ষা কাঁদে। আমরা বর্ষার রূপে মুগ্ধ হই। প্রেমে ভেসে যাই, কবিতা লিখি, গান করি, খিচুড়ি রাঁধি, ঝিমঝিম শব্দ নিয়ে ঘুমোতে যাই। মনে কেবল প্রশ্ন জাগে বর্ষা নিজের জন্য কাঁদে, না অন্যের দুঃখে ব্যাকুল ? উত্তর মেলে না।

বর্ষার সৌন্দর্য নিয়ে স্বয়ং কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ করেছেন তাঁর বর্ষার গানে –

এসো শ্যামল সুন্দর,/ আনো তব তাপহরা তৃষাহরা সঙ্গসুধা।/ বিরহিণী চাহিয়া আছে আকাশে \

সে যে ব্যথিত হৃদয় আছে বিছায়ে/ তমালকুঞ্জপথে সজল ছায়াতে,/ নয়নে জাগিছে করুণ রাগিণী \

বর্ষায় আমাদের স্বাস্থ্যবান বীজ অঙ্কুরিত হয় , ঋতুবতী হয় প্রকৃতি, বর্ষার ঋদ্ধিতে সমৃদ্ধ হোক বাঙালির জীবন, ফুল-ফল-ফসলে সৌরভ ছড়াক, সুস্থ-সবল আগামী প্রজন্ম সৃষ্টিশীল হোক; বর্ষা আমাদের জীবনে গতির সঞ্চার করুক; এবং এ প্রার্থনা হোক প্রতিটি বাঙালির।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *