কড়ানজর
  • September 27, 2021
  • Last Update September 26, 2021 8:12 pm
  • গাজীপুর

পরীমনির পাশে নচিকেতা ‘তোমার মন খারাপের কারণটা কে, এত সাহস কার?

পরীমনির পাশে নচিকেতা                                                            ‘তোমার মন খারাপের কারণটা কে, এত সাহস কার?

কড়া নজর প্রতিবেদক ঃ


মন ভাল নেই পরীমণির। বাঁচার আশাই যেন হারিয়ে ফেলেছেন। সে কথা বুঝতে পেরেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী।
নচিকেতার গান শুনে সাহস ফিরে পেতে চাইছেন বাংলাদেশের তারকা অভিনেত্রী পরীমনি। সোমবার নায়িকা ফেসবুকে গায়কের ২০১৭ সালের গান ‘এত সাহস কার’ ভাগ করে নিয়েছেন। যে গানের প্রতিটি পংক্তি যেন পরীমণির কথা বলে।
আনন্দবাজার অনলাইনের কাছ থেকে বিষয়টি শোনার পরেই নচিকেতার দাবি, ’আমার ব্যক্তিগত ভাবে পরীমণিকে ভাল লাগে। ভীষণ সাহসী। যেটা বলা উচিত সেটা সবার সামনে বলার ক্ষমতা রাখেন। তাঁর দেশের পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। যা খুব সহজ নয়। যা করছেন বেশ করছেন তিনি।’
ঢাকা বোটিং ক্লাবে গিয়ে ক্ষমতাশালী ব্যবসায়ীর কু-দৃষ্টির শিকার হওয়া। তার পরেই মাদক মামলায় ২৭ দিনের কারাবাস মানসিক দিক থেকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছে পরীমণিকে।

তবুও তিনি লড়েছেন। তাঁর সেই লড়াইয়ের নেপথ্য শক্তি, দাদু শামসুল হক গাজির লেখা একটি চিঠি এবং নচিকেতার গান। যে গানে শিল্পী বলেছেন, ‘তোমার মন খারাপের কারণটা কে, এত সাহস কার?…. তাকে আকাশ থেকে এই মাটিতে নামানো দরকার।’
‘আমি ভাল আছি। চিন্তা করবা না। তোমার সাথে শীঘ্রই দেখা দিব।’ দাদুকে লেখা এই চিঠিই তাঁকে শক্তি জুগিয়ে গিয়েছে। নিজের মতামত জানাতে গিয়ে অকপটে স্বীকার করেছেন পরীমণি। ‘একটা চিঠি….আমার সব শক্তির গল্প।’
পরীমণি বলেছেন গ্রেপ্তার হওয়ার পর যারা আনন্দে নেচেছিল, এখনও তারাই আই লাভ ইউ’। নিন্দুকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা লিখছেন হাতের তালুতে ‘ডোন্ট লাভ মি বিচ’। কার উদ্দেশে লেখা? ইতিমধ্যেই পরীমণির এই বার্তা ভাইরাল নেটমাধ্যমে। কেন তিনি হাতে লিখেছিলেন, ‘ডোন্ট লাভ মি বিচ’? কারাগারে মেহেন্দি বা পেলেন কী করে? ‘যে দিন ছুটি পেলাম সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে যখন গেটের ওখানে এসে বসলাম, জানলাম আমার খালু আসছে। দেরি হচ্ছিল। বসে থাকতে থাকতে একটা বাচ্চা আসে। তার কাছেই মেহেন্দি ছিল। তার থেকে নিয়েছি। বাঁ হাত দিয়ে ডান হাতে ‘ডোন্ট লাভ মি বিচ’ লিখেছি’, বললেন পরীমণি।
পরীমণি হতাশ। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরেই তাঁর কাছে বাড়ি ছাড়ার নোটিশ আসে। কোথায় যাবেন তিনি? সংবাদমাধ্যমকে তিনি প্রশ্ন করেন? ‘এখন কি তা হলে আমার বসবাসের অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নিচ্ছে ওরা? ওরা যা চেয়েছিল, তা-ই কি হচ্ছে? আমি কি তা হলে ঢাকা ছেড়ে চলে যাব, নাকি দেশ ছেড়ে চলে যাব?।’ হতাশ পরীমণি জানান, তাঁর বাড়ির নিচে সারাক্ষণ ক্যামেরা নিয়ে সাংবাদিকরা দাঁড়িয়ে আছে। হঠাৎ পুলিশ চলে আসছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *