কড়ানজর
  • September 27, 2021
  • Last Update September 26, 2021 8:12 pm
  • গাজীপুর

গাজীপুরে করোনা রোগীর সংখ্যা আশঙ্কা হারে বাড়ছে দুই জনে এক জন আক্রান্ত !

গাজীপুরে করোনা রোগীর সংখ্যা আশঙ্কা হারে বাড়ছে                             দুই জনে এক জন আক্রান্ত !

কড়া নজর প্রতিবেদক ঃ
গাজীপুরে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। লকডাউনের মধ্যেই গত তিন দিনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্গাহারে বেড়েছে। গাজীপুরে গত গত ৪৮ ঘণ্টায় ৭৬০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৯৬ জনের করোনা পজিটিভ হয়েছে। । অর্থাৎ আক্রান্তের হার ৫২ দশমিক ১০ শতাংশ। দুই দিনে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।
গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৫ জুলাই মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। ২৪ জুলাই ১৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয় ৬৯ জনের এবং মারা যান একজন। শনাক্তের হার ৩৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। ২৩ জুলাই ১৩৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয় ৪৮ জনের। মারা যান পাঁচজন। শনাক্তের হার ৩৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।
জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ৭৪০ জন। এ পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১৬ জনে।


করোনা রোগীর জন্য ৩ ফ্লোর বরাদ্দ, রোগী ১২৭ জন
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটির তিনটি ফ্লোরে ১০০ শয্যা বরাদ্দ করা হয়েছে করোনা রোগীদের জন্য। আজ সোমবার পর্যন্ত ১০০ শয্যার করোনা ইউনিটে ভর্তি আছে ১২৭ জন। স্থান সংকুলান না হওয়ায় রোগীদের ফ্লোর তিনটিতে অতিরিক্ত শয্যা স্থাপন করা হয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক মো. হাফিজ উদ্দিন বলেন ভর্তি রোগীদের মধ্যে এইচডিইউ শয্যায় আছেন দুজন, আইসিইউ শয্যায় আছেন আটজন।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৪২ জন।


গ্যাসের সংকট
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০০ শয্যার শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলে হাসপাতালটিকে করোনা রোগীদের জন্য ডেডিকেটেড হিসেবে ঘোষণা করা হয় । ওই সময় করোনা রোগীর সংখ্যা কম হলেও সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া বন্ধ ছিল। পরবর্তীকালে করোনা রোগী কমে গেলে আবার সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা শুরু হয়। বর্তমানে হাসপাতালটি করোনা রোগীদের জন্য ডেডিকেটেড না হলেও সরকারি সিদ্ধান্তে হাসপাতালের ৩টি ফ্লোরে ১০০ শয্যায় করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. হাফিজ উদ্দিন জানান, শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হলেও কাউকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে না। আলাদা সিলিন্ডার দিয়ে হাসপাতালের বারান্দায় রেখে হলেও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।করোনায় আক্রান্ত হয়ে যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হতে আসেন, তাঁদের প্রায় সবাই গুরুতর অবস্থায় আসেন। তাই সবার জন্যই অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। শয্যার সঙ্গে অক্সিজেন না থাকলে করোনা রোগীর মৃত্যুঝুঁকি আরও বেড়ে যাবে। তাঁদের হাসপাতালের ৬ হাজার লিটার গ্যাস মজুত রাখার সক্ষমতা থাকলেও চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।

#

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *