কড়ানজর
  • September 28, 2021
  • Last Update September 28, 2021 1:03 pm
  • গাজীপুর

‘অপহরণের পর মুক্তিপণ’ আদায়ের সময় সিআইডির তিন সদস্য আটক

‘অপহরণের পর মুক্তিপণ’ আদায়ের সময় সিআইডির তিন সদস্য আটক

কড়া নজর প্রতিবেদকঃ

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার দশমাইল এলাকা থেকে মা ও ছেলেকে “অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের” অভিযোগে অপরাধ ও তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) তিন কর্মকর্তাকে হাতে-নাতে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনগণ। মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে তাদেরকে আটক করা হয়। চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন- সিআইডি পুলিশের রংপুর অফিসের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সারোয়ার কবীর সোহাগ, এএসআই হাসিনুর রহমান ও পুলিশ কনস্টেবল আহসানুল ফারুখ মিলন। 

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদেরকে দিনাজপুর ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়েছে তাদের। অন্যদিকে, অপহৃত মা জহুরা বেগম ও ছেলে জাহাঙ্গীরকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেখানে রাখা হয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার চিরিরবন্দর উপজেলার নান্দেরাই গ্রামের লুৎফর রহমানের বাসায় যান সিআইডির ওই তিন কর্মকর্তা। এ সময় কষ্টিপাথর পাচারসহ তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে লুৎফর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানান তারা। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দেখাতে পারেননি সিআইডির এই তিন সদস্য। 

লুৎফর রহমানকে না পেয়ে তার স্ত্রী জহরা বেগম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করে নিয়ে যান অভিযুক্তরা। পরে মঙ্গলবার সকালে মা-ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য জাহাঙ্গীরের ফোন থেকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে ৮ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

দাবি করা টাকা নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অপহৃতদের স্বজন মামুন ও আফতাবুর জামান এবং চিরিরবন্দর থানার পুলিশ সদস্য মো. তাজুল ইসলামসহ কয়েকজন ঠিকানা অনুযায়ী হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বাঁশের হাট এলাকায় যান। স্থানীয় লোকজন তখন সিআইডির সদস্যদের ধরে ফেলেন। পরে তারা চিরিরবন্দর থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার সোহাগসহ তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *